ছাত্রছাত্রী ও স্বাস্থ্য
একটা আদর্শবান ছাত্রের একটি সুস্থ শরীর ও সুস্থ মস্তিষ্ক ও সুস্থ মন প্রয়োজন।
সুস্থ মন টা সে পাবে বাড়ির ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ সেখানকার লোকজনদের কাছ থেকে অর্থাৎ বাবা মা আত্মীয়স্বজন শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছ ঠিক । বাড়িতে যদি বাবা মা বা বাবামায়ের সাথে দাদাদাদুর ঝগড়া চিৎকার চেঁচামেচি দেখতে থাকে কিংবা স্কুলের শিক্ষকরা যদি খুব রাগী হয়, সামান্য দোষ ত্রুটি তে মারধর করে তবে একজন মেধাবী ছাত্রছাত্রীর ওপরও তার প্রভাব পড়বে ।
এবার আসা যাক, সুস্থ শরীর ও সুস্থ মস্তিকের উপর ।
একজন ছাত্র বা ছাত্রীর খাবার তার শরীরের উপর বড় প্রভাব ফেলে ।আজকাল অভিভাবকদের ট্রেন্ডিং হচ্ছে late night,late wake up. সাড়ে ৮ টাই বা ৯ টাই ঘুম থেকে উঠে চা খেয়ে ১০ টায় স্কুলে আসার সময় আর ভাত খাওয়ার ইচ্ছা থাকে না ।কিন্তু বাচ্চাটাকে থাকতে হয় দুপুর ১:৩০ পর্যন্ত । অর্ধেক দিন পর্যন্ত যাতে না খেয়ে থাকতে হয় তাই বাবা মা 25/30 টাকা খরচ করে 2 টো চিপসের প্যাকেট ,বিভিন্ন ভ্যারাইটির চকলেট ,কেক, বিস্কুট । এই খেয়ে তারা দুপুর পার করে দেই, তারপর অনেকে বাড়িতে গিয়েও খাই না, যেহেতু অনেক স্কুলে ছুটির কিছুক্ষন আগে এই টিফিন খেতে দেওয়া হয় ।
অথচ, আমরা সবাই জানি প্যাকেটের খাবার কতটা ক্ষতিকর।
স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং অভিভাবকদের একটু সদিচ্ছা হলেই আমার তাদের এই বিষাক্ত খাবার ছড়িয়ে ভালো খাবার খাওয়াতে পারি ।
তাদেরকে প্রতিদিন বাইরের খাবারের পরিবর্তে খেজুর, কাজুবাদাম,কিসমিস, সতেজ ফলমূল(আপেল, সশা,আঙ্গুর,..) টিফিনে সাজিয়ে পাঠানো যায়। এতে তাদের ইমুউনিটি বাড়বে, আর ভালো খাবার ও মন্দ খাবার সমন্ধে জ্ঞান হবে ।
কয়েকদিন পর পর ছেলেমেয়েদের পেটে ব্যথা, মাথা ব্যাথা হবে না । ছেলেমেয়ে থাকবে সুস্থ । পড়াশুনাও হবে দ্রুত।
সমাজ পাবে একটা প্রতিভাবান আদর্শবান রত্ন ।
আমাদের ছোটো ছোটো একটা পরিবর্তন বদলে দিতে পারে সমাজটাকেই ।
Sir ji অনেকদিন পর আবার পড়লাম। বিবেকবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের জন্য চিন্তার খোরাক। এই ধরনের পোস্ট আরও চাই।
ReplyDelete