Posts

Showing posts from April, 2021

অসুস্থতা

 আমাদের শরীর একটা মেশিনের মতো । মতো কিন্তু মেশিন নয় । আমাদের শরীর সব কিছুর ব্যালান্সের মধ্যেই সুস্থ থাকে । যখন আমরা সেই ব্যালান্সের দিকে ধ্যান না দিয়ে নিজের ইচ্ছামত চালায় তখন হটাৎ করে গোটা শরীরে এলার্ম বেজে ওঠে ।শরীর হয়ে পরে অসুস্থ । এটা সম্পূর্ন নিজের General মতামত আমার । তবে আমরা মুসলিমরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি অসুস্থতা আল্লাহর কাছ থেকে আসে । আর আল্লাহর কাছ থেকে আসা বান্দার জন্য নিয়ামত । এই অসুস্থতার হাত দিয়ে আল্লাহ তার বান্দার অনেক গুনাহ ক্ষমা করে দেন । অসুস্থতা আমার মোটেই অপছন্দের নয় । যখন চরম ব্যস্ত হয়ে পরি; খাওয়া, ঘুম,আরাম এমনকি আল্লাহর উপাসনা করারও যথাযথ সময় হয় না তখনই দেখি এই অসুস্থতা দাঁত বের করে হাসতে হাসতে এসে চরম ব্যস্ত সেই জীবনে আর্জেন্ট ব্রেক লাগিয়ে দিয়ে বলে, "বৎস! কিসের তোমার এত ব্যস্ততা ? কোথায় চলছ ছুটে এমন হন্য হয়ে ? মনে আছে তো তোমার শেষ স্টপেজ কোনটা ?" সত্যিও বটে, দু দিন শরীর খারাপ থাকলেই মৃত্যুভয়টাও কাঁধে এসে চেপে বসে । শরীর খারাপের মাত্রা বাড়ার সাথে মৃত্যুভয়টাও বাড়তে থাকে । মনে হয় এই বুঝি বেলা ফুরিয়ে এলো । আর হয়তো বাঁচা হবে না । এবারই সব শেষ সব !! কত অপূর্...

ছাত্রছাত্রী ও স্বাস্থ্য

 একটা আদর্শবান ছাত্রের একটি সুস্থ শরীর ও সুস্থ মস্তিষ্ক ও সুস্থ মন প্রয়োজন। সুস্থ মন টা সে পাবে বাড়ির ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ সেখানকার লোকজনদের কাছ থেকে অর্থাৎ বাবা মা আত্মীয়স্বজন শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছ ঠিক । বাড়িতে যদি বাবা মা বা বাবামায়ের সাথে দাদাদাদুর ঝগড়া চিৎকার চেঁচামেচি দেখতে থাকে কিংবা স্কুলের শিক্ষকরা যদি খুব রাগী হয়, সামান্য দোষ ত্রুটি তে মারধর করে তবে একজন মেধাবী ছাত্রছাত্রীর ওপরও তার প্রভাব পড়বে । এবার আসা যাক, সুস্থ শরীর ও সুস্থ মস্তিকের উপর । একজন ছাত্র বা ছাত্রীর খাবার তার শরীরের উপর বড় প্রভাব ফেলে ।আজকাল অভিভাবকদের ট্রেন্ডিং হচ্ছে late night,late wake up. সাড়ে ৮ টাই বা ৯ টাই ঘুম থেকে উঠে চা খেয়ে ১০ টায় স্কুলে আসার সময় আর ভাত খাওয়ার ইচ্ছা থাকে না ।কিন্তু বাচ্চাটাকে থাকতে হয় দুপুর ১:৩০ পর্যন্ত । অর্ধেক দিন পর্যন্ত যাতে না খেয়ে থাকতে হয় তাই বাবা মা 25/30 টাকা খরচ করে 2 টো চিপসের প্যাকেট ,বিভিন্ন ভ্যারাইটির চকলেট ,কেক, বিস্কুট । এই খেয়ে তারা দুপুর পার করে দেই, তারপর অনেকে বাড়িতে গিয়েও খাই না, যেহেতু অনেক স্কুলে ছুটির কিছুক্ষন আগে এই টিফিন খেতে দেওয়া হয...

মৃত্যু(DEATH)

 জীবনের চরম কঠোর নিষ্ঠুর সত্য হলো মৃত্যু । মৃত্যু এমন এক সত্য যাকে পৃথিবীর কোনো প্রাণীকুল এখন পর্যন্ত মিথ্যা প্রমাণ করতে পারি নি । মৃত্যু পুরোপুরি নিজেকে রহস্যের আবরনে আবৃত করে রেখেছে । কার কোথায় কখন কি অবস্থায় মৃত্যু আসবে সেটা কোনো ব্যক্তিই বলতে পারবে না । এই মৃত্যুর মালিক হলেন যিনি জীবন দিয়েছেন সেই আল্লাহই । তাই কোনো হালাল প্রানীকেও জবাহ করার সময় সেই জীবন দাতা আল্লাহর নাম নিতে হয়,নইলে তা হারাম হয়ে যায় । সেই যায় হোক, আগে মানে আই ১০/১৫ বছর আগেও একটা বাড়িতে মৃত্যু আসলে ৩দিন তো শোখের ছায়া থাকতই ,তারপরও বেশ কিছুদিন সেই মৃত্যুশোক তার চাদর চাদর দিয়ে বাড়িটিকে ঢেকে রাখতো। কিন্তু এখন কারো মৃত্যু খবর শুনলে কয়েক সেকেন্ডের জন্য থমকে দাড়িয়ে কোনো রকমে ইন্নালিল্লাহ...পরে আবার চলতে শুরু করি । ভাবি এ আবার কি, প্রত্যেকে তো মরতেই হবে একদিন ,তো সেও মারা গেছে । কিন্তু নিজেকে এই প্রশ্ন গুলো করতে ভুলে যায়, আমি ছুটছি কিসের পেছনে ? আমি কি মৃত্যুর জন্য আদৌও প্রস্তুত আছে ?? অদ্ভুত এক সত্য হলো ,কিছু মৃত্যু মানুষকে কাঁদিয়ে শোকের পরিবেশ তৈরি করে দিয়ে মনটাকে ভেঙে দেয়। কিছু মৃত্যুতে মানুষ স্বস...

একটা মধ্যবিত্ত যুবকের না বলতে পারা কথা

 অভিনয় অনেক দেখেছেন । অভিনেতাও কম দেখেন নি । কিন্তু সত্যিকারের যদি কোনো অভিনেতা গোষ্ঠী থেকে থাকে তবে তারা হলেন মধ্যবিত্ত সম্প্রদায় । "বুক ভরা ব্যথা ,মুখভরা হাসি, খুব সুখে বেচেঁ আছি!" - এমন অভিনয় করে বেচেঁ থাকা সম্প্রদায় ।  এই মধ্যবিত্ত মধ্যবিত্ত কেনো, সেটা এখন অনেকটাই উপলব্ধি করতে পেরেছি ।এরা হলেন তাদের বংশধর যাদের আগের প্রজন্ম ধনী ছিলেন কিন্তু এখুন  তাদের ধন প্রভাব প্রতিপত্তি সম্মান শেষ হবার অন্তিম মুহূর্তে । তাই যেনো তেন প্রকারে এই সব জিনিস চলন্ত পৃথিবীর সাথে সাথে বিলিয়ে যেতে যাতে না পারে তাই প্রাণপণ চেষ্টা করে চলেছে । তাই ঘরে খাবার না থাকলেও জামা টা এদের ঠিক কাচা থাকে, জুতোটা নারকেলের তেল দিয়ে হলেও পালিশ করা থাকে । কিন্তু নতুন কিছু সৃষ্টির জন্য পুরোনোকে ধ্বংস হতেই হয় ঠিক যেমন আমাদেরকে বুড়ো হয়ে মৃত্যুবরণ করতেই হয় যাতে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম তার বেচেঁ থাকার জন্য জায়গা পায় । অবশেষে একটি চক্রাকার পদ্ধতির মাধ্যমে মধ্যবিত্ত থেকে গরীব হয়ে পরবর্তী প্রজন্ম আবার তার পুরনো হারানো প্রভাব প্রতিপত্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসে । Hope For Best !! সুখের দিন খুব নিকটেই ।