Posts

কলার উপকারিতা

Image
 কলা এমন একটি ফল যা দামে সস্তা কিন্তু পুষ্টিগুণে ভরপুর । আসুন জেনেনি কলায় আমাদের জন্য কি কি উপকার রয়েছে । ১) কলায় পটাশিয়াম থাকে যা হৃদযন্ত্র কে ভালো রাখে । ২) ওজন কমে গেলে বা শরীর দূর্বল হয়ে পড়লে চিকিৎসকরা কলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ৩) কলায় থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম হাড় শক্ত রাখে। ৪) কলায় থাকে পেকটিন নামক একটি ফাইবার। যা কোষ্টকাঠিন্যের মতো সমস্যার দূরে রাখতে সাহায্য করে।  ৫) কলার মধ্যে প্রচুর পরিমান ফাইবার থাকায় পেট পরিষ্কার রাখতে কলা অপরিহার্য্য। ৬) পেট পরিস্কার রাখার পাশাপাশি হজমেও সাহায্য করে কলা । একটি কলায় থাকে ৩ গ্রাম ফাইবার। যা খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায়।  ৭) কলায়  প্রচুর পরিমানে ভিটামিন B থাকে, যা স্নায়ুকে শান্ত করে। মানসিক চাপ কাটাতে ফ্যাটি ফুডের থেকে বেশি প্রয়োজনীয় কলা । তাই প্রতিদিন খাবারের তালিকায় অবশ্যই কলা রাখুন । সুস্থ থাকুন ।

পেস্তা বাদামের উপকারিতা

Image
  পেস্তা একধরনের শুকনো ফল। এর বৈজ্ঞানিক নাম পিস্তাসিয়া ভেরা  ।  পেস্তা বাদামের স্বাদ অসাধারন এবং আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে পেস্তা বাদাম সাহায্য করে । আসুন জেনে নিই, পেস্তা বাদামের উপকারিতা গুলো । ১) নিয়মিত পেস্তা বাদাম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক কমে যায় । ২)পেস্তা বাদাম ওজন কমাতে সাহায্য করে । ৩)পেস্তা খাদ্যনালীতে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে পেট পরিষ্কার থাকে । ৪)আমাদের শরীরের একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রোটিন, যা পেস্তা বাদাম থেকে প্রচুর পাওয়া যায় । ৫) স্বাস্থ্যকর চামড়ার জন্য ভিটামিন E খুব প্রয়োজনীয়, যা পেস্তায় প্রচুর পরিমাণে রয়েছে । 

জীবন Vision-২

 মধ্যবিত্তের জীবনের গল্প থেকে ভয়ানক গল্প হতে পারে না । প্রতিদিন বাঁচা মরার গল্প। মানুষগুলো সব জীবন্ত থাকলেও বেচেঁ নেই ।

জীবন Vision-১

 একজন মানুষ তার সাধ্যের মধ্যে সব কাজ(জীবিকা নির্বাহের জন্য) করার ক্ষমতা রাখে, পারে না শুধু তার পরিবারের কিছু মানুষের নেগেটিভ কথাবার্তা জন্য আর সমাজের ভয়ে ।  "লোকে কি বলবে !!"- এই মহাবানীতে আমল করতে করতেই আমরা শেষ ।

অসুস্থতা

 আমাদের শরীর একটা মেশিনের মতো । মতো কিন্তু মেশিন নয় । আমাদের শরীর সব কিছুর ব্যালান্সের মধ্যেই সুস্থ থাকে । যখন আমরা সেই ব্যালান্সের দিকে ধ্যান না দিয়ে নিজের ইচ্ছামত চালায় তখন হটাৎ করে গোটা শরীরে এলার্ম বেজে ওঠে ।শরীর হয়ে পরে অসুস্থ । এটা সম্পূর্ন নিজের General মতামত আমার । তবে আমরা মুসলিমরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি অসুস্থতা আল্লাহর কাছ থেকে আসে । আর আল্লাহর কাছ থেকে আসা বান্দার জন্য নিয়ামত । এই অসুস্থতার হাত দিয়ে আল্লাহ তার বান্দার অনেক গুনাহ ক্ষমা করে দেন । অসুস্থতা আমার মোটেই অপছন্দের নয় । যখন চরম ব্যস্ত হয়ে পরি; খাওয়া, ঘুম,আরাম এমনকি আল্লাহর উপাসনা করারও যথাযথ সময় হয় না তখনই দেখি এই অসুস্থতা দাঁত বের করে হাসতে হাসতে এসে চরম ব্যস্ত সেই জীবনে আর্জেন্ট ব্রেক লাগিয়ে দিয়ে বলে, "বৎস! কিসের তোমার এত ব্যস্ততা ? কোথায় চলছ ছুটে এমন হন্য হয়ে ? মনে আছে তো তোমার শেষ স্টপেজ কোনটা ?" সত্যিও বটে, দু দিন শরীর খারাপ থাকলেই মৃত্যুভয়টাও কাঁধে এসে চেপে বসে । শরীর খারাপের মাত্রা বাড়ার সাথে মৃত্যুভয়টাও বাড়তে থাকে । মনে হয় এই বুঝি বেলা ফুরিয়ে এলো । আর হয়তো বাঁচা হবে না । এবারই সব শেষ সব !! কত অপূর্...

ছাত্রছাত্রী ও স্বাস্থ্য

 একটা আদর্শবান ছাত্রের একটি সুস্থ শরীর ও সুস্থ মস্তিষ্ক ও সুস্থ মন প্রয়োজন। সুস্থ মন টা সে পাবে বাড়ির ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ সেখানকার লোকজনদের কাছ থেকে অর্থাৎ বাবা মা আত্মীয়স্বজন শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছ ঠিক । বাড়িতে যদি বাবা মা বা বাবামায়ের সাথে দাদাদাদুর ঝগড়া চিৎকার চেঁচামেচি দেখতে থাকে কিংবা স্কুলের শিক্ষকরা যদি খুব রাগী হয়, সামান্য দোষ ত্রুটি তে মারধর করে তবে একজন মেধাবী ছাত্রছাত্রীর ওপরও তার প্রভাব পড়বে । এবার আসা যাক, সুস্থ শরীর ও সুস্থ মস্তিকের উপর । একজন ছাত্র বা ছাত্রীর খাবার তার শরীরের উপর বড় প্রভাব ফেলে ।আজকাল অভিভাবকদের ট্রেন্ডিং হচ্ছে late night,late wake up. সাড়ে ৮ টাই বা ৯ টাই ঘুম থেকে উঠে চা খেয়ে ১০ টায় স্কুলে আসার সময় আর ভাত খাওয়ার ইচ্ছা থাকে না ।কিন্তু বাচ্চাটাকে থাকতে হয় দুপুর ১:৩০ পর্যন্ত । অর্ধেক দিন পর্যন্ত যাতে না খেয়ে থাকতে হয় তাই বাবা মা 25/30 টাকা খরচ করে 2 টো চিপসের প্যাকেট ,বিভিন্ন ভ্যারাইটির চকলেট ,কেক, বিস্কুট । এই খেয়ে তারা দুপুর পার করে দেই, তারপর অনেকে বাড়িতে গিয়েও খাই না, যেহেতু অনেক স্কুলে ছুটির কিছুক্ষন আগে এই টিফিন খেতে দেওয়া হয...

মৃত্যু(DEATH)

 জীবনের চরম কঠোর নিষ্ঠুর সত্য হলো মৃত্যু । মৃত্যু এমন এক সত্য যাকে পৃথিবীর কোনো প্রাণীকুল এখন পর্যন্ত মিথ্যা প্রমাণ করতে পারি নি । মৃত্যু পুরোপুরি নিজেকে রহস্যের আবরনে আবৃত করে রেখেছে । কার কোথায় কখন কি অবস্থায় মৃত্যু আসবে সেটা কোনো ব্যক্তিই বলতে পারবে না । এই মৃত্যুর মালিক হলেন যিনি জীবন দিয়েছেন সেই আল্লাহই । তাই কোনো হালাল প্রানীকেও জবাহ করার সময় সেই জীবন দাতা আল্লাহর নাম নিতে হয়,নইলে তা হারাম হয়ে যায় । সেই যায় হোক, আগে মানে আই ১০/১৫ বছর আগেও একটা বাড়িতে মৃত্যু আসলে ৩দিন তো শোখের ছায়া থাকতই ,তারপরও বেশ কিছুদিন সেই মৃত্যুশোক তার চাদর চাদর দিয়ে বাড়িটিকে ঢেকে রাখতো। কিন্তু এখন কারো মৃত্যু খবর শুনলে কয়েক সেকেন্ডের জন্য থমকে দাড়িয়ে কোনো রকমে ইন্নালিল্লাহ...পরে আবার চলতে শুরু করি । ভাবি এ আবার কি, প্রত্যেকে তো মরতেই হবে একদিন ,তো সেও মারা গেছে । কিন্তু নিজেকে এই প্রশ্ন গুলো করতে ভুলে যায়, আমি ছুটছি কিসের পেছনে ? আমি কি মৃত্যুর জন্য আদৌও প্রস্তুত আছে ?? অদ্ভুত এক সত্য হলো ,কিছু মৃত্যু মানুষকে কাঁদিয়ে শোকের পরিবেশ তৈরি করে দিয়ে মনটাকে ভেঙে দেয়। কিছু মৃত্যুতে মানুষ স্বস...